­তথ্যধারা প্রতিবেদকঃ অস্ত্র,গুলি,মাদক এবং মাদক বিক্রীর টাকাসহ দাতঁমারার হেয়াকো পশ্চিম সিকদারখিল এলাকা থেকে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ৩ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তিতে

অস্ত্র,গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সে একসময় এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জাকিরের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলো বলে জানা গেছে । বর্তমানে জাকির ওমানে পলাতক রয়েছে। জানাগেছে সাম্প্রতিক কালে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান ও ক্রসফায়ার চলাকালীন সময়ে জাকির ওমানে পালিয়ে যায়।এদিকে গ্রেফতারকৃত দাতঁমারা ইউপির পশ্চিম সিকদারখিল এলাকার লেংড়া আব্বাসের ছেলে মোঃ সুমন (৩৫) দীর্ঘদিন যাবৎ ভূজপুর থানা এলাকা এবং মীরশ্বরাই উপজেলার জোরারগন্জ এলাকায় ডাকাতি,মাদক কারবারের সাথে যুক্ত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভূজপুর এবং জোরারগন্জ থানায় ১২ টি মাদক মামলা,১ টি অস্ত্র মামলা এবং ১ টি সরকারি কর্মচারির উপর হামলার মামলা রয়েছে। তাকে ধরার জন্য পুলিশ এতোদিন হন্য হয়ে খুজছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে ভূজপুর থানা ও দাতঁমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে পশ্চিম সিকদারখিল আব্বাস ওরফে লেংড়া আব্বাসের বাড়ী থেকে সুমনকে আটক করে। পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া স্বীকারোক্তি মতে তার শয়ন কক্ষ হতে ১ টি দেশীয় তৈরী বন্ধুক,১ টি পাইপগান(যাতে. ৩০৩ রাইফেলের গুলি ব্যবহৃত হত),০৬ রাউন্ড. ৩০৩ রাইফেলের গুলি,০৩ টি ১২ বোর কার্তুজ,১৫০ টি ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়ের ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ডাকাত সুমনের বিরুদ্ধে দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী সরওয়ার বাদী হয়ে ১ টি অস্ত্র ও ১ টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত বছর উক্ত সুমনকে হেয়াকো ক্যাম্পের বিজিবি গোয়েন্দা সদস্যরা আটক করতে চাইলে সাথে থাকা চাকু দিয়ে৷ বিজিবির গোয়েন্দা সদস্য সোহেলকে কুপিয়ে আহত করে সে।সে ঘটনায় সুমন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিল। পরে জামিনে বের হয়ে হোসেনেরখীল ইয়াবা সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে হাত মিলিয়ে মাদক সাপ্লাই ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাতে থাকে।