ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : উত্তর ফটিকছড়ির ভুজপুর দাঁতমারায় হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা।দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যেই হোসেনেরখীল, ইসলামপুর,হেঁয়াকো ও সেল্পিরোডে ইয়াবার কেনাবেচা চলছে। সাধারন এলাকাবাসীর ধারনা গডফাদারদেরকে বাদ দিয়ে ছোট ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তারের কারনে মাদক দ্রুত নির্মূল হবে এমন আশা নেই। মাদকবিরোধী অভিযানে সম্পৃক্ত সূত্রগুলো বলছে, সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা হলেও সব মহল আন্তরিক ছিল না। তাই মাদক নির্মূলের ফলও হতাশাজনক। অভিযানের সাফল্য নেই কেন, এ নিয়ে কথা হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কর্মকর্তারা বলেন, গডফাদারদেরকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে গডফাদাররা সরাসরি ইয়াবা ব্যবসা করছেন এমনটাও প্রমাণ করা যাচ্ছে না। অথচ তাঁদের প্রত্যেকের অর্থ-বিত্তের অবস্থান আকাশচুম্বী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ধারাবাহিক অভিযান চললেও এলাকায় মাদকের প্রবেশ বন্ধ হয়নি। স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি বলেন, মাদক বিরোধী অভিযান চলতে থাকায় ছোট ও মাঝারি মানের মাদক ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ একটু আড়ালে চলে গেছে। অনুসন্ধানে জানাগেছে গডফাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে হোসেনেরখীল,ইসলামপুর ও সেল্পিরোডে মাদকের নিরাপদ কেনাবেচা নিশ্চিত করার কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কোনো কোনো সুবিধাবাদী রাজনৈতিক নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে। জানা গেছে, চলতিমাসের প্রথম সপ্তাহে টেকনাফ থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান নিয়ে দাঁতমারার এক মহিলা গডমাদারের কাছে আসার সময় দাঁতমারা ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীরকে রামু থানা পুলিশ আটক করে বিভিন্ন তথ্য বের করে এিদেক মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকও আড়ালে চলে গেলেও দাঁতমারার এই মহিলা গডমাদার এলাকায় বহালতরিয়তে থেকে ইয়াবার কেনাবেচা চালিয়ে যাচ্ছে।