নিজস্ব প্রতিবেদক :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর দায়ের করা ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম ও সংগঠনটি ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি মো. নাজমুল হুদা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান দুই দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১২ অক্টোবর আসামিদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। নাজমুল হুদাকে ১১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে মগবাজার মোড়ে মডার্ন হারবাল সেন্টারের সামনে থেকে এবং সাইফুল ইসলামকে আজিমপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গত ২১ সেপ্টেম্বর কোতয়ালী থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। মামলার অপর আসামিরা হলেন—বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহিল কাফি (২৩)। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর লালবাগ থানায় ওই উল্লিখিত ব‌্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন তিনি। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়। ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ আরও পাঁচজনকে ধর্ষণে সহযোগিতার মামলায় আসামি করা হয়।