নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদক কারবারিদের আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত পুলিশ পরিদর্শক সোহরাওয়ার্দী সরওয়ারকে সম্প্রতি দাতঁমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে মদুনাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে। মদুনাঘাট এলাকাটিতে ইদানীং ইয়াবার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় সোহরাওয়ার্দীকে মাদক নির্মূলের জন্য উক্ত এলাকাটিতে বদলি করা হয় বলে বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সোহরাওয়ার্দী সরোয়ারের বদলির খবর শুনে ২য় টেকনাফ খ্যাত দাতঁমারা ইউপির হোসেনেরখিল এবং ইসলামপুর এলাকার ইয়াবার কারবারিরা নড়েচড়ে বসেছে। এতোদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকা মাদক ব্যবসায়ীরা পূণরায় এলাকায় আসতে শুরু করেছে। তারা সোহরাওয়ার্দীর বদলিতে নিজেরা নিজেদের মধ্যে মিষ্টি বিতরনও করেছে বলে খবর চাউর হয়েছে। উল্লেখ্য এ বছরের শুরুর দিকে সন্ধীপ থানা থেকে দাতঁমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন সোহরাওয়ার্দী। যোগদানের পর পরই তিনি এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের একের পর এক মাদকসহ গ্রেপ্তারের ফলে তিনি তাদের নিকট আতঙ্ক হয়ে দাড়ান। মাদকের ব্যাপারে সরোয়ার ছিলেন জিরো টলারেন্স। অন্যদিকে, পুলিশের নিয়মিত বদলীর অংশ হিসেবে তাকে মদুনাঘাট বদলীর আদেশ শুনে এ এলাকার মাদক কারবারিরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন আইসির চোখকে ফাকি দিয়ে তারা আগের মত রমরমা ইয়াবার কারবার করতে চেস্টা চালাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার তিনি মদুনাঘাট যোগদান করেন।যোগদানের পরদিনই তিনি এক মাদক কারবারিকে ইয়াবাসহ আটক করে হাজতে পাঠান।দাতঁমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে যোগদান করেন পুলিশ পরিদর্শক আতাউল হক চৌধূরী। তিনিও মাদকের ব্যাপারে কোন ছাড় দিবেননা বলে জানান। এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, রাবার বাগান বেস্টিত হোসেনেরখিল এবং ইসলামপুর গ্রাম দুটিতে প্রচুর ইয়াবা কারবারির বসবাস।তারা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ মরণ নেশা ইয়াবা সরবরাহ করে যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে নিজেরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে।